Posts

Showing posts from January, 2016

একজন জান্নাতী মহিলার কাহিনী

Image
একজন জান্নাতী মহিলার জীবন কাহিনীঃ তিনি হলেন মর্যাদান সাহাবী আনাস রাযিয়াল্লাহুর আনহুর মা এবং অন্যতম মহিলা সাহাবী উম্মে সুলাইম রুমাইসা বিনতে মিলহান। কিয়ামত পর্যন্ত পৃথিবীতে অগমণকারী প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষের জন্যই তার জীবনীতে বিরাট শিক্ষা রয়েছে। মক্কার যমীনে যখন ইসলামের সুশীতল ছায়ান নামলো, তখন তিনি সর্বাগ্রে ইসলাম গ্রহণকারীদের সাথে সাথেই ইসলাম কবুল করেন। তার স্বামী মালিক বিন নযরের কাছে যখন রুমাইসার ইসলাম গ্রহণের খবর পৌঁছে গেল, তখন সে রুমাইসাকে লক্ষ্য করে বলল, তুমি কি বে-দ্বীন হয়ে গেছো? জবাবে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি বে-দ্বীন হইনি; বরং ইসলাম গ্রহণ করেছি। অতঃপর তিনি মালিক বিন নযরকে ইসলামের দাওয়াত দিলেন। কিন্তু সে ইসলামের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করলো। ইসলাম গ্রহণ করার তিনি তার একমাত্র শিশু পুত্র আনাসকে অত্যন্ত গুরুত্বে সাথে ইসলামের উপর প্রতিপালন করতে লাগলেন। তিনি তার আদরের পুত্রকে খেলা-ধুলা করানোর সময় বলতেন, বলো বাবা لا إله إلا الله বলো বাবা,محمدا رسول الله। তার স্বামী মালিক বিন নযর আনাসকে শাহাদাতের কালেমা পাঠ করতে শুনে রাগান্বিত হয়ে যেতো এবং রুমাইসাকে বলতো, তুমি...

প্রাক্তন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হেনরি কিসিঞ্জারের হুমকির ঐতিহাসিক জবাব তৎকালীন সৌদি আরব বাদশাহ ফয়সালের "

Image
1973 সালে যখন আরব এবং ঈসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় , ঈসরাইলের উপর পশ্চিমাদের সমর্থন থাকায় , তৎকালীন সৌদি বাদশাহ ফয়সাল পশ্চিমের দেশগুলোতে তেল সাপ্লাই বন্ধ করে দেন , তখন তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হেনরি কিসিঞ্জার , বাদশাহ ফয়সালকে উদ্দেশ্য করে বলেন , সৌদি আরব যদি তার এই অবস্থান থেকে সরে না আসে তাহলে , আমেরিকা সৌদি আরবের তেল ক্ষেত্রগুলোতে বোমা হামলা চালাবে ! তখন সৌদি বাদশাহ ফয়সাল জবাবে বলেন , আপনারা তেল ছাড়া জীবনযাপন করতে পারেননা ( তেল ছাড়া আপনাদের জীবন অচল ) আপনি জানেন আমরা এসেছি মরুভূমি থেকে আমাদের পূর্বপুরুষ‍রা মরুভূমির জীবনযাপন করতো শুধুমাত্র খেজুর আর দুধের মাধ্যমে , অতএব আমরা খুব সহজেই স্বাচ্ছন্দের সাথে আমাদের পূর্বের জীবনে ফিরে যেতে পারবো "আল্লাহু আকবার " আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তার প্রতি রহম করুন এই সৎ সাহসটুকু আজ কজন মুসলিম নেতার আছে ?

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কাকে সবচেয়ে বেশি ভয় পান ???

Image
হ্যাঁ বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কথা বলছি , তিনি এমন একজনকে এতটাই ভয় পান ! অথচ তাকে অনেক মফিজ , বদমেজাজি কথায় কথায় মারপিট করে ! কিছুদিন আগে হঠাৎ প্রেসিডেন্ট বিশ্বখ্যাত সারভাইভাল এক্সপার্ট ডিসকাভারীর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ম্যান vs ওয়াইল্ডের জনপ্রিয় অভিনেতা বেয়ার গ্রিলসের সাথে আলাস্কাতে এক রোমাঞ্চকর অভিযানে বের হন , তারা পথ চলতে চলতে অনেক বিনোদন মূলক কথাই বলছিলেন , একপর্যায়ে তারা যখন ভল্লুক অধ্যূষিত এলাকায় প্রবেশ করেন , বেয়ার কৌতূহল বশেই প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করেন , আচ্ছা আপনি কোন জিনিসকে সবচেয়ে বেশি ভয় পান ? তিনি বললেন দেখ একজন জেনারেল হিসেবে আমার কোন ভয় নেই তবে ! তবে হ্যাঁ মিশেল ( প্রেসিডেন্টের স্ত্রী ) যখন চোখ রাঙিয়ে আমার দিকে তাকায় , ভয়ে আমার চক্ষু নিচু হয়ে যায় এরপর প্রেসিডেন্ট এবং বেয়ার এইতো হাসি

মানুষ সৃষ্টির গুঢ় রহস্য কি ???

Image
প্রশ্ন: মানুষ সৃষ্টির হেকমত বা গুঢ় রহস্য কি? উত্তর: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। এক: আল্লাহ তাআলা “হিকমত” বা প্রজ্ঞার গুণে গুণান্বিত। তাঁর মহান নামের মধ্যে রয়েছে- “আল-হাকিম” বা প্রজ্ঞাবান। জেনে রাখা উচিত, আল্লাহ তাআলা কোন কিছু অনর্থক সৃষ্টি করেননি। বরং তিনি অনর্থক কোন কিছু করা থেকে পবিত্র। বরং তিনি মহান হিকমত ও সার্বিক কল্যাণের ভিত্তিতে সৃষ্টি করে থাকেন। এ হেকমত কেউ জানে; কেউ জানে না। আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারীমে এ বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তিনি পরিস্কারভাবে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি মানুষকে অনর্থক সৃষ্টি করেননি। আসমান ও জমিন অনর্থক সৃষ্টি করেননি। আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা কি মনে কর আমি তোমাদেরকে অনর্থক সৃষ্টি করেছি। তোমরা আমার নিকট প্রর্ত্যাবর্তন করবে না। সত্যিকার বাদশা আল্লাহ মহান হোন। তিনি ব্যতীত আর কোন উপাস্য নেই; যিনি মহান আরশের অধিপতি।”[সূরা মুমিনূন, আয়াত: ১১৫, ১১৬] আল্লাহ তাআলা বলেন: “আসমান-জমিন এবং এ দুইটির মাঝে যা কিছু আছে সে সব আমি তামাশা করে সৃষ্টি করিনি।”[সূরা আম্বিয়া, আয়াত: ১৬] আল্লাহ আরও বলেন: “আমি আসমান-জমিন আর এ দুটির মাঝে যা আছে সে সব তামাশা করে সৃষ্টি করিনি। আমি ও দুটিক...

উযায়ের ( আলাইহিস সালাম ) এর কাহিনী

‘উযাইর’ বনী ইসরাইলের একজন নেককার ব্যক্তি। তিনি নবী কিনা- তা সাব্যস্ত হয়নি। যদিও প্রসিদ্ধ অভিমত হচ্ছে- তিনি নবী। ইবনে কাছীর ‘বিদায়া নিহায়া’ গ্রন্থে (২/২৮৯) এটাই ব্যক্ত করেছেন। সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমি জানি না- তুব্বা কি লানতপ্রাপ্ত; নাকি নয়। আমি জানি না- উযাইর কি নবী; না কি নবী নয়।” [আলবানি হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন] শাইখ আব্বাদ বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ কথা বলেছেন তাদের (তুব্বা সম্প্রদায়) অবস্থা জানার আগে। যেহেতু এ মর্মে রেওয়ায়েত এসেছে যে, তুব্বা সম্প্রদায় ইসলাম গ্রহণ করেছে। সুতরাং তারা লানতপ্রাপ্ত নয়। পক্ষান্তরে, উযাইর নবী কিনা এ ব্যাপারে কোন রেওয়ায়েত আসেনি।[শরহে আবু দাউদ (২৬/৪৬৮) থেকে সমাপ্ত] তবে তাঁর ক্ষেত্রে ‘আলাইহিস সালাম’ বলতে কোন সমস্যা নেই। যেহেতু তিনি নেককার মানুষ ছিলেন। তাঁর ঘটনা কুরআনে এসেছে। আলেমদের অনেকে তাঁকে নবী হিসেবে গণ্য করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন: “অথবা সে ব্যক্তির মত, যে এমন এক জনপদ অতিক্রম করছিল যা তার ছাদের উপর থেকে বিধ্বস্ত ছিল। সে...

ইমাম সুফিয়ান আস - সাউরির (রহিমাহুল্লাহ্ ) বিশেষ উপদেশ

শায়খুল ইসলাম, ইমামুল হুফফায এবং ইবাদতগুযার আলেমদের নেতা হিসাবে পরিচিত প্রখ্যাত তাবে তাবেঈ আবু আব্দুল্লাহ সুফিয়ান বিন সাঈদ আছ-ছাওরী (রহঃ) ৯৭ হিজরীতে কূফার বনু তামীম গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। প্রবল জ্ঞানান্বেষী এই মুহাদ্দিছের শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ছয়শ’ এবং ছাত্র প্রায় বিশ হাযার। তাঁর সম্পর্কে সুফিয়ান ইবনু উয়ায়না (রহঃ) বলেন, ‘সুফিয়ান ছাওরীর মত হালাল-হারাম সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তি আমি আর কাউকে দেখিনি’ (যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা ৭/২৩৮)। আববাসীয় খলীফা মানছূর তাঁকে বিচারকের দায়িত্ব পালনের আহবান জানালে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে কূফা ছেড়ে মক্কা-মদীনায় চলে যান এবং সেখানেই অবস্থান করতে থাকেন। পরবর্তীতে খলীফা মাহদী তাঁকে ডেকে পাঠালে তিনি আত্মগোপন করেন এবং বছরায় চলে যান। অতঃপর ১৬১ হিজরীতে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন (যিরিকলী, আল-আ‘লাম ৩/১০৪)। সুফিয়ান ছাওরী (রহঃ) একদা আলী ইবনুল হাসান আস-সালামীকে উদ্দেশ্য করে নিম্নোক্ত অছিয়ত করেন- তোমার কর্তব্য হ’ল- সদা সত্যবাদিতা অবলম্বন করা। আর মিথ্যা, বিশ্বাসঘাতকতা, লৌকিকতা ও দাম্ভিকতা পরিহার করা। কেননা সৎকর্মকে আল্লাহ তা‘আলা এ সকল জিনিস দিয়ে বেষ্টন কর...

পারমাণবিক বোমার ( atom- bomb ) তুলনায় হাইড্রোজেন বোমা ( H- Bomb ) কতটা শক্তিশালী ?

Image
পারমাণবিক বোমার তুলনায় হাইড্রোজেন বোমা কতটা শক্তিশালী ? একটি হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণে নিমেষে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে কয়েকটি বড় শহর। এর চেয়ে শক্তিশালী বোমা বিশ্বে আর দ্বিতীয়টি নেই। অবশ্য ধ্বংস ক্ষমতা নির্ভর করে শুধু ছোট বা বড়র ওপর। বিধ্বংসী ক্ষমতার দিক থেকে হাইড্রোজেন বোমার তুলনা হয় শুধু পারমাণবিক বোমার সঙ্গে। তবে পারমাণবিক বোমার চেয়ে অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমা। এ ধরনের বোমা তৈরি করা আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু উত্তর কোরিয়া গোপনে এই বোমা তৈরি করে পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা গেছে। ১৯৫২ সালে বিশ্বের প্রথম হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ ঘটায় যুক্তরাষ্ট্র। যার বিধ্বংসী ক্ষমতা ছিল ১ কোটি টন ট্রাইনাইট্রো টলুইনের (টিএনটি) সমান। ট্রাইনাইট্রো টলুইন রাসায়নিক বিস্ফোরক দ্রব্য। এখন হাইড্রোজেন বোমার ক্ষমতা বোঝার জন্য আমরা জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বিস্ফোরিত পারমাণবিক বোমা যথাক্রমে ‘লিটল বয়’ ও ‘ফ্যাটম্যান’-এর শক্তির উল্লেখ করতে পারি। লিটল বয়ের বিধ্বংসী ক্ষমতা ছিল ১৫ হাজার টন টিএনটির সমান। আর ...

ইসলামের দৃষ্টিতে ছবি তোলা জায়েজ ? নাকি নাজায়েজ ?

Image
এ কথা সহজেই অনুমেয় যে, রাসূল সা. যে তাসবীর নিষেধ করেছেন তা নিশ্চয়ই ডিজিটাল ছবি ছিল না ৷ বরং তা ছিল মূর্তি বা মূর্তির আকৃতি ৷ ﻻ ﺗﺪﺧﻞ ﺍﻟﻤﻼﺋﻜﺔ ﺑﻴﺘﺎ ﻓﻴﻪ ﻛﻠﺐ ﻭ ﻻﺗﺼﺎﻭﺭ রাসূল সা. বলেন, ওই ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না, যে ঘরে কুকুর থাকে কিংবা তাসবীর থাকে ৷ এ হাদীস ছাড়াও সে সকল হাদীসে ছবির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা এসেছে বলা হয়ে থাকে সেগুলোতেও তাসবীর বা ﺻﻮﺭﺓ শব্দই ব্যবহৃত হয়েছে ৷ যেমন- ﻣﻦ ﺻﻮﺭ বা ﻫﻠﻚ ﺍﻟﻤﺼﻮﺭﻭﻥ ইত্যাদি ৷ . তাসবীর কী? . এ কথা মনে রাখতে হবে যে, তাসবীর বাবে তাফয়ীলের মাসদার ৷ আর বাবে তাফয়ীলের ﺧﺎﺻﺔ হল ﺟﻌﻞ ৷ তবে ﺗﺼﻮﻳﺮ মানে ﺟﻌﻞ ﺍﻟﺼﻮﺭﺓ ৷ যার অর্থ দাঁড়ায় চিত্র নির্মাণ করা ৷ আভিধানিক অর্থে ﻣﺎ ﻳﺠﻌﻞ ﻣﻦ ﺍﻟﻄﻴﻦ ﻭﺍﻟﺨﺸﺒﻪ অর্থ্যাৎ যা কাদামাটি ও কাঠ দ্বারা নির্মাণ করা হয় ৷ যেটাকে মানুষ পূজা করে ৷ শিরকের চিন্তাধারার যেন উত্থান না ঘটে তাই তাসবীর নিষেধ করা হয়েছিল ৷ . সর্বজন গ্রহণযোগ্য অভিধান লিসানুল আরবসহ অন্যান্য অভিধানে তাসবীর বা ﺻﻮﺭﺓ 'র সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে- ﻣﺎ ﻟﻬﺎ ﺷﻜﻞ ﻭ ﺍﺑﻌﺎﺩ ﻭ ﺛﺒﻮﺕ অর্থ্যাৎ ছবি হল যার আকার, পরিধি ও স্থিতি আছে ৷ . মোবাইল, ইন্টারনেট ও টেলিভিশনের ছবি তথা ডিজিটাল ছবির আক...