Posts

Showing posts from March, 2016

আহলে হাদীসের নামে দল তৈরির ইতিহাস

Image
১৯০৬ সালে হাফেয আব্দুল্লাহ গাজীপুরী, হাফেজ আব্দুল আযীয রহীমাবাদী, শামসুল হক আযীমাবাদী, আব্দুর রহমান মুবারকপুরী, আয়নুল হক ফলওয়ারী, ছানাউল্লাহ অমৃতসরী 'অল ইন্ডিয়া আহলে হাদীস' নামে একটি দল গঠন করেন। তারপর ১৯১৪ সালে মিয়াঁ নাযীর হুসাইন দেহলভী (১৮০৫-১৯০২) এর বাঙ্গালি ও আসামী ছাত্ররা 'আঞ্জুমানে আহলে হাদীস বাঙ্গালা ও আসাম' নামে আরেকটি দল গঠণ করেন। তারপর ১৯৪৬ সালে "নিখিল বঙ্গ ও বা আসাম জমঈয়তে আহলে হাদীস" নামে আরেকটি দল গঠন করা হয়। তারপর ১৯৪৭ সালে "পূর্ব পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদীস" নামে আরো একটি দল গঠন হয়। তারপর ১৯৪৭ সালে "পূর্ব পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদীস" নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় “বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস”। তারপর ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা হয় "আহলে হাদিস যুবসংঘ"। তারপর ড. আসাদুল্লাহ আল-গালিব সাহেব 'জমিয়ত আহলে হাদিস' থেকে বের হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন "আহলে হাদিস আন্দোলন"। তারপর ড. মুসলেহ উদ্দিন 'আহলে হাদিস আন্দোলন' থেকে বের হয়ে করেন 'জামা'আতে আহলে হাদিস। তারপর তাদের মধ্য থেকে আরো কিছু দল বের...

প্রশ্ন: গণতন্ত্রের হুকুম কি? পার্লামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ পদ গ্রহণ কিংবা গণতান্ত্রিক সরকারের অন্যকোন দায়িত্ব গ্রহণ করার হুকুম কি? গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কোন ব্যক্তিকে ভোট দেয়া ও নির্বাচিত করার হুকুম কি?

Image
উত্তর প্রদান করেছেন শায়খ সালেহ আল মুনাজ্জিদ ( সৌদি আরব ) উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। গণতন্ত্র একটি মানব রচিত মতবাদ। এর মানে- জনগণ নিজেই নিজেকে শাসন করা। তাই এটি ইসলাম বিরোধী মতবাদ। শাসনের অধিকার সুউচ্চ ও সুমহান আল্লাহর অধিকার। কোন মানুষকে আইন প্রণয়ন করার অধিকার দেয়া জায়েয নেই; সে মানুষ যেই হোক না কেন। ‘মাওসুআতুল আদইয়ান ওয়াল মাযাহেব আল-মুআসেরা’ গ্রন্থে (২/১০৬৬, ১০৬৭) এসেছে: “কোন সন্দেহ নেই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা আল্লাহর আনুগত্য ও তাঁর প্রতি নতি শিকার কিংবা আইন প্রণয়নের অধিকারের ক্ষেত্রে নব্য শিরকের একটি রূপ। এ পদ্ধতিতে মহামহিম স্রষ্টার কর্তৃত্বকে বাতিল করে দেয়া হয়; অথচ আইন প্রণয়নের একচ্ছত্র অধিকার হচ্ছে- স্রষ্টার; কিন্তু সে অধিকার তাঁর থেকে ছিনিয়ে মাখলুককে প্রদান করা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা তাঁকে বাদ দিয়ে নিছক কতগুলো নামের (প্রতিমার) ইবাদত করছ, যে নামগুলো তোমাদের পূর্বপুরুষগণ ও তোমরা রেখেছ; এর পক্ষে কোন প্রমাণ আল্লাহ অবতীর্ণ করেননি। বিধান দেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র আল্লাহর। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন শুধু তাঁকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত না করতে। এটাই শাশ্বত ধর্ম। কিন্তু অধিকা...