Posts

Arab women's ambition and virulent mass blasts and our society

Image
Arab women's ambition and virulent mass blasts and our society Writter : Al Mutawakkil Bangali It is said that "money is the root of all mischief" in reality it is proved to be true! In recent years many reports have come out in electronic and print media, the number of virgin women in Saudi Arabia is going out! To solve this problem, many men have suggested more than one marriage! But is this the real solution? Because the main reason for this problem is that the Saudi youth are increasingly facing other women, especially Syrian women, and why are the Saudi youth facing them, where millions of virgin women themselves are in Saudi Arabia? The real problem is the serious ambition of Saudi women! Because most of the youth, unable to meet the needs of Saudi women, with seals! That is why money is the root of all mischief! Not too long ago, these centuries ago, the condition of the Macmissim Arabs was very sad, most of the livelihood of most of them was used to be goats -...

ইসলামী সভ্যতা পর্ব - ১

Image
বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে ইসলামী সভ্যতার উপর কিছু লেখালেখি জরুরি মনে করছি , যেহেতু চারিদিকে সর্বত্রই চলছে ইসলাম সম্বন্ধে নানা অপপ্রচার ! এই অপপ্রচারের ফলে অনেকের কাছেই ইসলামকে একটি অনাগ্রসর , মধ্যযুগীয় ধর্ম হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে ! আসলে ইসলামী সভ্যতা কি ? সেটা বুঝতে হলে এর আগে আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে ইসলামের যাত্রার শুরুতে অর্থাৎ কোথায় , কোন সময় , কিভাবে ইসলামের যাত্রা শুরু হয়েছে , আর কেনই বা ইসলামের প্রয়োজন হলো ? আর ইসলাম আমাদেরকে কিইবা দিয়েছে ? এর পুর্বে আমাদের জানা দরকার ইসলাম পুর্ব তৎকালীন সেই সমাজের অবস্থা কি ছিলো ? তাদের ধর্মীয় , সামাজিক , রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক , নীতি নৈতিকতার অবস্থা কিরূপ ছিলো ? এগুলো বিশ্লেষণ করলেই ইনশাআল্লাহ ইসলামের অবদানের কথা পরিস্কার হবে ইনশাআল্লাহ " প্রথমত: ইসলামের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়েছিল , বর্তমান সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে , এবং সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে মদীনা নগরী কেন্দ্রীক , অর্থাৎ আরব সমাজে এর যাত্রা শুরু , এবার চলে যাই তৎকালীন আরব সমাজে । তৎকালীন আরবের ধর্মীয় অবস্থা : আরবে বসবাসকারী সাধারণ লোকজন ইসমাইল ( আলাইহিস সালাম ) এর দাওয়াতের ও প্রচ...

আহলে হাদীসের নামে দল তৈরির ইতিহাস

Image
১৯০৬ সালে হাফেয আব্দুল্লাহ গাজীপুরী, হাফেজ আব্দুল আযীয রহীমাবাদী, শামসুল হক আযীমাবাদী, আব্দুর রহমান মুবারকপুরী, আয়নুল হক ফলওয়ারী, ছানাউল্লাহ অমৃতসরী 'অল ইন্ডিয়া আহলে হাদীস' নামে একটি দল গঠন করেন। তারপর ১৯১৪ সালে মিয়াঁ নাযীর হুসাইন দেহলভী (১৮০৫-১৯০২) এর বাঙ্গালি ও আসামী ছাত্ররা 'আঞ্জুমানে আহলে হাদীস বাঙ্গালা ও আসাম' নামে আরেকটি দল গঠণ করেন। তারপর ১৯৪৬ সালে "নিখিল বঙ্গ ও বা আসাম জমঈয়তে আহলে হাদীস" নামে আরেকটি দল গঠন করা হয়। তারপর ১৯৪৭ সালে "পূর্ব পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদীস" নামে আরো একটি দল গঠন হয়। তারপর ১৯৪৭ সালে "পূর্ব পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদীস" নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় “বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস”। তারপর ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা হয় "আহলে হাদিস যুবসংঘ"। তারপর ড. আসাদুল্লাহ আল-গালিব সাহেব 'জমিয়ত আহলে হাদিস' থেকে বের হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন "আহলে হাদিস আন্দোলন"। তারপর ড. মুসলেহ উদ্দিন 'আহলে হাদিস আন্দোলন' থেকে বের হয়ে করেন 'জামা'আতে আহলে হাদিস। তারপর তাদের মধ্য থেকে আরো কিছু দল বের...

প্রশ্ন: গণতন্ত্রের হুকুম কি? পার্লামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ পদ গ্রহণ কিংবা গণতান্ত্রিক সরকারের অন্যকোন দায়িত্ব গ্রহণ করার হুকুম কি? গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কোন ব্যক্তিকে ভোট দেয়া ও নির্বাচিত করার হুকুম কি?

Image
উত্তর প্রদান করেছেন শায়খ সালেহ আল মুনাজ্জিদ ( সৌদি আরব ) উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। গণতন্ত্র একটি মানব রচিত মতবাদ। এর মানে- জনগণ নিজেই নিজেকে শাসন করা। তাই এটি ইসলাম বিরোধী মতবাদ। শাসনের অধিকার সুউচ্চ ও সুমহান আল্লাহর অধিকার। কোন মানুষকে আইন প্রণয়ন করার অধিকার দেয়া জায়েয নেই; সে মানুষ যেই হোক না কেন। ‘মাওসুআতুল আদইয়ান ওয়াল মাযাহেব আল-মুআসেরা’ গ্রন্থে (২/১০৬৬, ১০৬৭) এসেছে: “কোন সন্দেহ নেই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা আল্লাহর আনুগত্য ও তাঁর প্রতি নতি শিকার কিংবা আইন প্রণয়নের অধিকারের ক্ষেত্রে নব্য শিরকের একটি রূপ। এ পদ্ধতিতে মহামহিম স্রষ্টার কর্তৃত্বকে বাতিল করে দেয়া হয়; অথচ আইন প্রণয়নের একচ্ছত্র অধিকার হচ্ছে- স্রষ্টার; কিন্তু সে অধিকার তাঁর থেকে ছিনিয়ে মাখলুককে প্রদান করা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা তাঁকে বাদ দিয়ে নিছক কতগুলো নামের (প্রতিমার) ইবাদত করছ, যে নামগুলো তোমাদের পূর্বপুরুষগণ ও তোমরা রেখেছ; এর পক্ষে কোন প্রমাণ আল্লাহ অবতীর্ণ করেননি। বিধান দেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র আল্লাহর। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন শুধু তাঁকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত না করতে। এটাই শাশ্বত ধর্ম। কিন্তু অধিকা...

একজন জান্নাতী মহিলার কাহিনী

Image
একজন জান্নাতী মহিলার জীবন কাহিনীঃ তিনি হলেন মর্যাদান সাহাবী আনাস রাযিয়াল্লাহুর আনহুর মা এবং অন্যতম মহিলা সাহাবী উম্মে সুলাইম রুমাইসা বিনতে মিলহান। কিয়ামত পর্যন্ত পৃথিবীতে অগমণকারী প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষের জন্যই তার জীবনীতে বিরাট শিক্ষা রয়েছে। মক্কার যমীনে যখন ইসলামের সুশীতল ছায়ান নামলো, তখন তিনি সর্বাগ্রে ইসলাম গ্রহণকারীদের সাথে সাথেই ইসলাম কবুল করেন। তার স্বামী মালিক বিন নযরের কাছে যখন রুমাইসার ইসলাম গ্রহণের খবর পৌঁছে গেল, তখন সে রুমাইসাকে লক্ষ্য করে বলল, তুমি কি বে-দ্বীন হয়ে গেছো? জবাবে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি বে-দ্বীন হইনি; বরং ইসলাম গ্রহণ করেছি। অতঃপর তিনি মালিক বিন নযরকে ইসলামের দাওয়াত দিলেন। কিন্তু সে ইসলামের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করলো। ইসলাম গ্রহণ করার তিনি তার একমাত্র শিশু পুত্র আনাসকে অত্যন্ত গুরুত্বে সাথে ইসলামের উপর প্রতিপালন করতে লাগলেন। তিনি তার আদরের পুত্রকে খেলা-ধুলা করানোর সময় বলতেন, বলো বাবা لا إله إلا الله বলো বাবা,محمدا رسول الله। তার স্বামী মালিক বিন নযর আনাসকে শাহাদাতের কালেমা পাঠ করতে শুনে রাগান্বিত হয়ে যেতো এবং রুমাইসাকে বলতো, তুমি...

প্রাক্তন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হেনরি কিসিঞ্জারের হুমকির ঐতিহাসিক জবাব তৎকালীন সৌদি আরব বাদশাহ ফয়সালের "

Image
1973 সালে যখন আরব এবং ঈসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় , ঈসরাইলের উপর পশ্চিমাদের সমর্থন থাকায় , তৎকালীন সৌদি বাদশাহ ফয়সাল পশ্চিমের দেশগুলোতে তেল সাপ্লাই বন্ধ করে দেন , তখন তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হেনরি কিসিঞ্জার , বাদশাহ ফয়সালকে উদ্দেশ্য করে বলেন , সৌদি আরব যদি তার এই অবস্থান থেকে সরে না আসে তাহলে , আমেরিকা সৌদি আরবের তেল ক্ষেত্রগুলোতে বোমা হামলা চালাবে ! তখন সৌদি বাদশাহ ফয়সাল জবাবে বলেন , আপনারা তেল ছাড়া জীবনযাপন করতে পারেননা ( তেল ছাড়া আপনাদের জীবন অচল ) আপনি জানেন আমরা এসেছি মরুভূমি থেকে আমাদের পূর্বপুরুষ‍রা মরুভূমির জীবনযাপন করতো শুধুমাত্র খেজুর আর দুধের মাধ্যমে , অতএব আমরা খুব সহজেই স্বাচ্ছন্দের সাথে আমাদের পূর্বের জীবনে ফিরে যেতে পারবো "আল্লাহু আকবার " আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তার প্রতি রহম করুন এই সৎ সাহসটুকু আজ কজন মুসলিম নেতার আছে ?

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কাকে সবচেয়ে বেশি ভয় পান ???

Image
হ্যাঁ বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কথা বলছি , তিনি এমন একজনকে এতটাই ভয় পান ! অথচ তাকে অনেক মফিজ , বদমেজাজি কথায় কথায় মারপিট করে ! কিছুদিন আগে হঠাৎ প্রেসিডেন্ট বিশ্বখ্যাত সারভাইভাল এক্সপার্ট ডিসকাভারীর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ম্যান vs ওয়াইল্ডের জনপ্রিয় অভিনেতা বেয়ার গ্রিলসের সাথে আলাস্কাতে এক রোমাঞ্চকর অভিযানে বের হন , তারা পথ চলতে চলতে অনেক বিনোদন মূলক কথাই বলছিলেন , একপর্যায়ে তারা যখন ভল্লুক অধ্যূষিত এলাকায় প্রবেশ করেন , বেয়ার কৌতূহল বশেই প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করেন , আচ্ছা আপনি কোন জিনিসকে সবচেয়ে বেশি ভয় পান ? তিনি বললেন দেখ একজন জেনারেল হিসেবে আমার কোন ভয় নেই তবে ! তবে হ্যাঁ মিশেল ( প্রেসিডেন্টের স্ত্রী ) যখন চোখ রাঙিয়ে আমার দিকে তাকায় , ভয়ে আমার চক্ষু নিচু হয়ে যায় এরপর প্রেসিডেন্ট এবং বেয়ার এইতো হাসি